nari-criceter-ritar-chodonlila

🔗 Original Chapter Link: https://www.banglachotikahinii.com/best-bangla-choti/nari-criceter-ritar-chodonlila-1/

🕰️ Posted on Sat Aug 22 2026 by ✍️ joy92u(Profile)

📂 Category:
📖 2365 words / 11 min read
🏷️ Tags:

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট সিরিজ খেলতে এসেছে বাংলাদেশ দল। রিতা—দেশের সবচেয়ে প্রতিভাবান অলরাউন্ডার—প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে। তার বয়স বাইশ, শরীর ফিট তবে ব্রেস্ট ঝুলে পড়া, ত্বকের রং গাঢ় গ্রে, প্রায় কালো, যাকে বিদেশিরা বলে ‘ডার্ক চকলেট’। চুল কালো লম্বা, চোখ বড় আর ভ্রুতে এক ধরনের মায়াবী ভাঁজ। আবাসন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সিডনি হারবারের পাশের একটি পাঁচতারকা হোটেল। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের আলাদা আলাদা রুম দেওয়া হয়, কিন্তু আয়োজকদের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি খেলোয়াড়কে স্থানীয় একেকজন অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়ের সাথে রুম শেয়ার করতে হয়, যাতে সাংস্কৃতিক বিনিময় হয়। কিন্তু রিতার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম—তাকে দেওয়া হয়েছে দুই অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়ের সাথে একই স্যুট। তারা হল স্যানি এবং জুলি। স্যানি বয়সে একটু বড়, টিমের সবচেয়ে সিনিয়র প্লেয়ার, প্রায় পঁয়ত্রিশ, ফর্সা গোলাপি ত্বক, সোনালি চুল কাঁধ পর্যন্ত, চোখ নীল। সে অফ স্পিনার, টিমের ভাইস ক্যাপ্টেন। জুলি তার চেয়ে ২০ বছরের ছোট, চুল ছোট করে কাটা, সাদা চামড়া, মুখে বাদামি ছিটে দাগ, আর তার দেহ শক্ত পেশিতে ভরা—সে ফাস্ট বোলার। স্যানি কমবয়েসী জুলিকে দলে যোগদানের পর থেকেই বিছানাসঙ্গী বানিয়েছে, কিন্তু পাবলিকলি তা প্রকাশ করে না। প্রথম দিন ম্যাচ শেষে রাত দশটায় রিতা রুমে ফেরে। ঘামে ভেজা শরীর, ক্লান্ত কিন্তু উত্তেজিত। স্যুটের দরজা খুলতেই দেখে স্যানি আর জুলি অন্তর্বাস পরে সোফায় বসে ওয়াইন গ্লাস হাতে, আলো ক্ষীণ, পর্দা টানা। “হেই, রিতা! কাম,” জুলি ডাকল, তার গলায় এক ধরনের আমন্ত্রণ। “তুমি কেমন আছো?” “ভালো, কিন্তু ক্লান্ত,” রিতা জবাব দিল, তার ব্যাগ ফেলল বিছানার পাশে। “আজ মাঠে খুব গরম ছিল।” স্যানি উঠে এল, তার হাতে এক গ্লাস ওয়াইন। “পান করো, আরাম হবে।” সে গ্লাসটা বাড়িয়ে দিল। রিতা সংকোচে নিল, কিন্তু ঠোঁটে ছোঁয়াল। ওয়াইন মিষ্টি, হালকা। “তোমাদের রুমটা কেমন লাগছে?” জুলি প্রশ্ন করল, চোখে এক ধরনের চাহনি। “খুব সুন্দর। কিন্তু তোমরা দুজন তো একসঙ্গে থাকো, আমি বুঝতে পারছি না কেন আমাকে এখানে রাখা হলো?” রিতা হাসল। স্যানি আর জুলি একে অপরের দিকে তাকাল। তারপর স্যানি রিতার কাঁধে হাত রাখল, “আমরা চেয়েছিলাম তোমাকে। তুমি আমাদের কাছে আকর্ষণীয়।” রিতার চোখ বড় হলো। সে কিছু বলার আগেই জুলি এসে সামনে দাঁড়াল, “তুমি কি জানো আমাদের সম্পর্কের কথা?” “মানে?” রিতা প্রশ্ন করল, ওয়াইন গ্লাস শক্ত করে ধরে। “আমরা প্রেমিকা,” জুলি সোজা বলল। “দুই মেয়ে। আর আমরা দেখেছি তুমি আমাদের দিকে তাকাও, বিশেষ করে আজ মাঠে যখন আমরা একসঙ্গে অনুশীলন করছিলাম।” রিতার মুখ লাল হয়ে গেল। সে কিছু বলতে পারল না। স্যানি তার হাত ধরে নিয়ে গেল, রিতার আঙুলে চুমু খেল। “আমরা তোমাকে কিছু দেখাতে চাই। যদি তুমি চাও।” রিতার মন দোল খেতে লাগল। তার জীবনে কখনো মেয়েদের প্রতি এই রকম টান বোধ করেনি। কিন্তু এই দুই নারীর সৌন্দর্য আর আত্মবিশ্বাস তাকে মুগ্ধ করেছিল। সে ধীরে ধীরে মাথা নাড়ল, “আমি বুঝতে পারছি না… আমি তো ছেলেদের সাথেই করেছি শুধু।” “তাহলে শেখার সময় এসেছে,” জুলি ফিসফিস করল। সে রিতার গ্লাস সরিয়ে নিয়ে টেবিলে রাখল। তারপর তার হাত দুটি রিতার কাঁধে রাখল, ঠোঁট এগিয়ে গেল রিতার ঠোঁটের দিকে। প্রথম চুম্বন ছিল আলতো, মৃদু। জুলির ঠোঁট নরম, ভেজা। রিতা প্রথমে টান খেল, কিন্তু জুলির হাতের স্পর্শ তার পিঠে বুলিয়ে দিল, তাকে শিথিল করল। ধীরে ধীরে রিতা চুম্বনের জবাব দিল, তার জিহ্বা বেরিয়ে এল জুলির সাথে মেশার জন্য। স্যানি পেছন থেকে এসে রিতার কোমর জড়িয়ে ধরল, তার ঠোঁট রিতার ঘাড়ে নামিয়ে দিল। রিতা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। তার শ্বাস বাড়ল, বুক দ্রুত ওঠানামা করল। স্যানি রিতার জার্সি খুলে ভিতরের স্পোর্ট ব্রায়ের বোতাম খুলতে শুরু করল। প্রতিটি বোতাম খোলার সাথে সাথে রিতার গাঢ় ত্বক আরও উন্মুক্ত হলো। ভেতরে সে কালো লেসের আরো একটা ব্রা পড়েছিল। স্যানি সেই ব্রার উপর হাত রাখল, বুকে চাপ দিল। “তোমার বুক খুব শক্ত, আমার আবার শক্ত বুকের অল্পবয়েসী মেয়ে খুব পছন্দ, তাই জুলিকে দলে ঢোকার পরপরই আমার সাথে বিছানায় নিয়ে মজা নিয়েছি” স্যানি বলল, তার আঙুল ব্রার ধার বরাবর ঘুরিয়ে দিল। জুলি তখন নীচে নেমে রিতার পেটে চুমু খেতে লাগল, জিহ্বা দিয়ে নাভি চাটল। রিতা মাথা পেছনে ফেলে দিল, চোখ বন্ধ করে আনন্দের ঢেউ উপভোগ করল। স্যানি ব্রার হুক খুলে ফেলল। সেটা পড়ে গেলে রিতার দুটি গাঢ় স্তন বেরিয়ে এল—বোঁটাগুলো কালচে, শক্ত টাটকানো। উত্তেজনায় ঘামে শরীর চিকচিক করছে। “ওহ, কী সুন্দর, তুমি তো একেবারে হট চকোলেট” স্যানি ফিসফিস করল, তার মুখ নামিয়ে একটি বোঁটা মুখে নিল। চুষতে শুরু করল জোরে, জিহ্বা দিয়ে ঘুরিয়ে। রিতার ঠোঁট দিয়ে বেরিয়ে এল মোচড়ানো আর্তনাদ। জুলি তখন উঠে দাঁড়িয়ে নিজের জামা খুলে ফেলল। অল্পবয়েসী মেয়ে জুলি, তার সাদা মাত্র বাড়ন্ত স্তন বেরিয়ে এল, সেগুলো অপূর্ণ, বোঁটা অন্তর্মুখী ফ্যাকাশে গোলাপি। সে রিতার অন্য স্তন চুষতে লাগল। দুই নারী একই সময়ে রিতার স্তনে লালসা চালাল, তাদের জিহ্বা বোঁটায় বৃত্ত এঁকেছে, দাঁত দিয়ে আলতো করে টেনেছে। রিতার হাত তখন নিজের প্যান্টের দিকে গেল। সে তা খুলে ফেলতে চাইল, কিন্তু স্যানি থামিয়ে দিল। “না, আমরা করব।” স্যানি হাঁটু গেড়ে বসে রিতার ট্রাউসার জিপার টেনে নামাল। উত্তেজনায় রিতার যৌনিরস পেন্টি ভিজে ফেলেছে। জুলি রিতার প্যান্টি টেনে নামালো। এখন রিতা নগ্ন, তার গাঢ় গ্রে ত্বকের বিপরীতে স্যানি আর জুলির ফ্যাকাশে সাদা চামড়া আরও বেশি ফুটে উঠছে। “বুকে শুয়ে পড়ো,” জুলি বলল। রিতা বিছানায় শুয়ে পড়ল, স্যানি নিজের অন্তর্বাস খুলে কালো ব্রা এর পেন্টি পরে রিতার কাছে গিয়ে রিতার পা দুটি ফাঁক করল। জুলি তার পায়ের মাঝে এসে বসল, তার মুখ সরাসরি রিতার যোনির সামনে। রিতার যোনির ঠোঁট গাঢ় বাদামি, ভিজে চিকচিক করছে। জুলি জিভ বের করে পুরো ফাঁক বরাবর চাটল, নীচ থেকে উপরে। রিতার দেহ কেঁপে উঠল। জুলি আবার চাটল, এবার ক্লিটের উপরে চাপ দিয়ে। রিতা চিৎকার করে উঠল, “আহ! হা!” স্যানি পুরাপুরি নগ্ন হয়ে নিজের বিশালাকার সাদা স্তন নিয়ে উপরে এল, তার মুখ রিতার মুখের কাছে নিয়ে গেল। রিতা স্যানির স্তন বোটা খেতে শুরু করলো। কিছুপর স্যানির জিহ্বা রিতার মুখে ঢুকল, আর রিতা স্বাদ পেল—সে ওয়াইন আর নিজের বুকের গন্ধ। নীচে জুলি চাটছে দ্রুত, ছন্দে। রিতার নিতম্ব উঠানামা করছে বিছানায়। “আমার ভেতরে আঙুল দাও,” জুলি বলল, মুখ তুলে নিয়ে। তার ঠোঁটে রিতার রস। রিতা উঠে বসে জুলির পিছনে এল। জুলি বিছানায় হেলান দিল, তার পা ফাঁক করল। রিতা তার আঙুল জুলির ভেজা যোনির ফাঁকে রাখল। প্রথমে দ্বিধায়, তারপর আলতো করে ভেতরে ঢুকাল। জুলি আর্তনাদ করল, “হ্যাঁ, এভাবেই।” রিতা তার আঙুল নাড়াতে শুরু করল, ভিতর-বাইরে। জুলির পা শক্ত হলো, সে বিছানা চেপে ধরল। স্যানি তখন নীচে নেমে রিতার যোনি চাটতে লাগল, আর রিতা আঙুল চালিয়ে যাচ্ছে। এই ত্রিমুখী খেলায় রিতার মন ভরে গেল অভিজ্ঞতায়। রিতার আঙুল জুলির ভিতর আরও গভীরে গেল। জুলি চিতকার করে অর্গাজমে ফেটে পড়ল, তার দেহ কাঁপল, পা ছড়িয়ে গেল। স্যানি রিতার দিকে তাকিয়ে হাসল, “তোমার প্রথম লেসবিয়ান অভিজ্ঞতা জুলিকে চুদে দিলে।” রিতা হাসল, কিন্তু তার নিজের যোনি এখনও ভিজে, এখনও ক্ষুধার্ত। স্যানি বুঝতে পারল। সে চোখ মিটমিট করে বলল, “এখন আমার পালা।” ওয়াইন শেষ, শরীর ঘামে আর রসে ভেজা। স্যানি উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “চলো শাওয়ার নিই। সবাই মিলে আবার খেলবো।” রিতা দ্বিধা করল না। তিন নারী নগ্ন হয়ে বাথরুমের দিকে গেল। বাথরুমে বড় গ্লাসের শাওয়ার স্টল, ভেতরে মার্বেলের বেঞ্চ। স্যানি আগে ঢুকে জল খুলে দিল। গরম জলের ধারা শরীরে পড়ল। রিতা ভেতরে ঢুকল। জুলিও ঢুকল। তিন নারী শাওয়ারের নিচে দাঁড়াল, জল তাদের গায়ে পড়ছে। রিতার গাঢ় কালো ত্বকে জলের ফোঁটা চিকচিক করছে। স্যানি তার পাশে এসে দাঁড়াল, তার সাদা গোলাপি ত্বকের সাথে রিতার কালো ত্বকের বৈপরীত্য দেখে মন ভরে গেল। “তোমার রং কত সুন্দর,” স্যানি বলল, তার হাত রিতার পেটে রাখল, জলের সাথে মিশে গেল স্পর্শ। “যেন মসৃণ চকোলেট। আমরা তোমাদের দেশি মেয়েদের ত্বক খুব পছন্দ করি। তোমরাতো আবার লেসবিয়ান সম্পর্ক করা না দলের অন্য মেয়েদের সাথে আর তাই ভাবলাম তোমাকে আমরা প্রথম লেসবিয়ান অভিজ্ঞতা দি।” জুলি পেছন থেকে এল, তার হাত রিতার নিতম্বে রাখল। “এই নিতম্বের কোনো তুলনা নেই।” সে চেপে ধরল, তার আঙুল ফাঁকে গিয়ে পড়ল। রিতা সামান্য কেঁপে উঠল, কিন্তু আরাম পেল। স্যানি তার ঝুলে পড়া চুল পিছনে সরিয়ে দিয়ে ঘাড়ে চুমু খেল। গরম জল তাদের ত্বক মসৃণ করছে। জুলি সাবানের বোতল নিয়ে কিছুটা হাতে নিল এবং রিতার পিঠে মাখাতে শুরু করল। তার হাত লেদার হয়ে গেল, সে পিঠে বুলিয়ে দিল—কাঁধ থেকে নীচে নিতম্ব পর্যন্ত। রিতার মাথা পিছনে হেলে গেল, সে চোখ বন্ধ করল। জুলি সাবান দিয়ে তার পেটে হাত বুলালো, তারপর নীচে নেমে এল যোনির উপর। সাবানের স্লিপারি আঙুল যোনির ঠোঁটে ঘুরল। “ওহ, জুলি,” রিতা ফিসফিস করল। স্যানি তখন সামনে এল, তার হাতে একই সাবান, সে রিতার স্তনে মাখাতে লাগল। তার আঙুল বোঁটায় বৃত্ত এঁকেছে, সাবানের ফেনায় বোঁটা আরও শক্ত হলো। জুলি পেছন থেকে রিতার যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে দিল—একবারে দুটি আঙুল। রিতা হাঁ করে ফেলল, তার হাত স্যানির কাঁধে ধরে রাখল সমর্থন হিসেবে। জুলি আঙুল নাড়ছে, ভেতর-বাইরে, জলের ধারা তাদের ধুয়ে দিচ্ছে তবে রস আরও বাড়ছে। স্যানি নীচে হাঁটু গেড়ে বসে, জল তার মুখে এসে পড়ছে, কিন্তু সে পরোয়া করছে না। সে রিতার যোনির সামনে মুখ নিয়ে গেল, জুলির আঙুল এখনও ভেতরে। স্যানি জিহ্বা বের করে জুলির আঙুল চাটল, রিতার যোনির রস আর সাবান মিশে গেল। তারপর সে ভগাঙ্কুর চুষতে শুরু করল। রিতার পা কাঁপছে। জলের তাপ আর স্যানির জিহ্বা আর জুলির আঙুল—ত্রিমুখী আক্রমণে সে ভেঙে পড়ল। “আমি… আর না… আমি আসছি,” সে চিৎকার করল। কিন্তু স্যানি থামল না, বরং আরও জোরে চুষল। জুলি আঙুল আরও গভীরে ঢুকাল। রিতার অর্গাজম আসল—একটি শক্তিশালী ঢেউ তার পুরো শরীরে বইল। সে জুলির কাঁধে ঝুঁকে পড়ল, শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। স্যানি উঠে দাঁড়াল, তার মুখ ভেজা, হাসছে। “তোমার স্বাদ সাবানের মতো আর তোমার নিজের মতো,” স্যানি বলল, রিতার কপালে চুমু খেল। জুলি রিতাকে সোজা করে দাঁড় করাল। “এখন আমাদের পালা,” সে বলল, আর তার চোখ জ্বলজ্বল করছে। জুলি শাওয়ারের বেঞ্চে বসল, তার সাদা পা দুটি ফাঁক করল। স্যানি তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসল, জলের ধারা তাদের গা ভিজিয়ে দিচ্ছে। স্যানি জুলির যোনিতে মুখ দিল। জুলি মাথা পেছনে ফেলে দিল, বেঞ্চের প্রান্ত ধরে রাখল। রিতা দেখতে লাগল—স্যানির জিহ্বা কীভাবে জুলির ফ্যাকাশে গোলাপি যোনির ঠোঁট চাটছে, ভগাঙ্কুর টেনে নিচ্ছে। রিতা নিজেও আর স্থির থাকতে পারল না। সে স্যানির পেছনে গিয়ে বসল, তার আঙুল স্যানির ভিজে যোনির ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। স্যানি আর্তনাদ করল, কিন্তু জিহ্বা চালাতে থাকল জুলির যোনিতে। রিতা স্যানির যোনিতে আঙুল চালাচ্ছে, আর জলের ধারা তাদের ত্বক ধুয়ে দিচ্ছে। এই দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত উত্তেজক—তিন নারী শাওয়ারে, তাদের দেহ জড়াজড়ি, জলের সাউন্ড আর আর্তনাদের মিশ্রণ। জুলি অর্গাজমে ফেটে পড়ল, তার পা শক্ত হয়ে গেল, বেঞ্চে পিছলে পড়তে যাচ্ছিল, কিন্তু স্যানি তাকে ধরে ফেলল। স্যানি নিজেও তখন রিতার আঙুল থেকে অর্গাজম পেল, সে জুলির বুকে মুখ রেখে চিৎকার করল। শাওয়ার বন্ধ করল রিতা। তিন নারী শ্বাস ফেলতে ফেলতে বেরিয়ে এল। তারা নিজেদের বড় সাদা তোয়ালে দিয়ে মুছল। রিতার কালো ত্বক জলে ভেজা, তোয়ালে তুলোয় তার রঙ আরও গাঢ় লাগছে। স্যানি তার চুল মুছতে মুছতে বলল, “আমার মনে হয় আজ রাতে আমরা পুরোটা না ঘুমিয়ে কাটাব।” জুলি হাসল, “নিশ্চয়ই। এখন আমাদের ডিনার করা উচিত। কিন্তু ডিনারের পরে… আবার শুরু।” তারা তিনজন বিছানায় শুয়ে পড়ল। রুমের লাইট নিভিয়ে দেওয়া হলো। কিন্তু অন্ধকারেও তাদের শরীর জ্বলছিল উত্তাপে। রিতা মাঝখানে শুয়ে, স্যানি ডানে, জুলি বামে। স্যানির হাত রিতার বুকে, জুলির হাত তার পেটে। “তোমার ত্বক কত মসৃণ,” জুলি বলল অন্ধকারে। “আমি কখনো কালো ত্বকের মেয়ের সাথে ছিলাম না।” “আমিও কখনো সাদা ত্বকের মেয়ের সাথে ছিলাম না,” রিতা উত্তর দিল হালকা কণ্ঠে। স্যানি ফিসফিস করল, “আমরা এখন একসাথে, রিতা। এই সফরজুড়ে আমরা তোমাকে সব শেখাবো।” ডিনার শেষ হলো হোটেলের রেস্টুরেন্টে। কিছু খেলোয়াড় একসাথে খেল, কিন্তু রিতা আর তার রুমমেটরা আলাদা টেবিলে বসল। স্যানি আর জুলি ইচ্ছে করেই রিতার পায়ে পা লাগিয়ে রাখল, টেবিলের নীচে। রিতার উরু স্পর্শ করছে জুলির পা, আর স্যানির হাত টেবিলের নীচে রিতার প্যান্টের কোমর ধরে রাখল। “খুব সেক্সি লাগছে তোমাকে,” স্যানি বলল, শব্দগুলো যেন বাতাসে ভেসে গেল। রিতা লজ্জায় মাথা নিচু করল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে উত্তেজিত হলো। ডিনারের পর তারা রুমে এল। এবার কোনো ওয়াইন নেই, সরাসরি শুরু হলো। স্যানি রিতাকে শুইয়ে দিল বিছানায়। জুলি তার পা দুটি ফাঁক করল, স্যানি মাথা নীচে করে জুলির পাশে বসল। তারা দুইজনে মিলে রিতার যোনি চাটতে শুরু করল। প্রথমে জুলির জিহ্বা, তারপর স্যানির, তাদের জিহ্বা মিলে মিশে এক হয়ে গেল ভগাঙ্কুরের চারপাশে। রিতা আর সহ্য করতে পারল না। সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, “আমি… আমি আর না… প্লিজ, থামো, আমি আসতে চাই… কিন্তু…” কিন্তু তারা থামল না। বরং তারা রিতার পা দুটি কাঁধে তুলে নিল, জুলির জিহ্বা সরাসরি যোনির ভেতরে ঢুকে গেল। স্যানি ভগাঙ্কুর চুষছে আর জুলি যোনির গভীরে জিহ্বা চালাচ্ছে। রিতা আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না—তৃতীয় অর্গাজম তার শরীর কাঁপিয়ে দিল, সে চিৎকার করে উঠল, “হ্যাঁ! হ্যাঁ! আমি… আহ!” তার দেহ শিথিল হয়ে গেল, বিছানায় লুটিয়ে পড়ল। স্যানি আর জুলি উঠে বসল, স্যানি রিতার কপালে চুমু খেল, “ব্যাস, আজকের জন্য এতটুকুই। তবে এখন তুমি আমাদের দেবে।” স্যানি শুয়ে পড়ল, জুলি তার পা ফাঁক করল। রিতা শিখে নিচ্ছিল—সে নীচে নেমে স্যানির যোনি চাটতে শুরু করল। প্রথমে অপেক্ষাকৃত ধীরে, কিন্তু জুলি তার মাথা চেপে ধরে গভীর করতে বলল। রিতা জিহ্বা ঢুকিয়ে দিল স্যানির ভেতরে, আর জুলি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিল। স্যানি অর্গাজম এল, আর রিতা তার রস গিলে নিল। তারপর জুলির পালা—রিতা জুলিকে চাটল, জুলির ফ্যাকাশে যোনির উপর তার কালো ঠোঁট মিশে গেল। রিতা এতটাই দক্ষ হয়ে উঠল যে জুলিও অল্প সময়ের মধ্যে চিৎকার করে উঠল। রাত তখন দুইটা বাজে। তিন নারী ক্লান্ত আর তৃপ্ত। স্যানি রিতাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পড়ল, জুলি পিঠে হাত বুলিয়ে দিল। রিতা বুঝতে পারল—এই সফরে ক্রিকেট তার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই দুই সাদা চামড়ার লেসবিয়ানের সাথে তার নতুন সম্পর্ক। ঘুমানোর আগে জুলি ফিসফিস করে বলল, “কাল সকালে আবার করব। তারপর মাঠে গিয়ে আমরা তোমার সাথে আরও একটু ফ্লার্ট করব।” রিতা হাসল, তার মন আনন্দে ভরে গেল। সে চোখ বুজল, আর স্বপ্নে দেখল—তিন নারী, তিন রঙ, এক অনাবিল কামনার জাল। পরের দিন ঘুম থেকে উঠে সকাল সাড়ে ছয়টা। রিতা চোখ খুলে দেখে স্যানি আর জুলি উভয়েই জেগে, তাদের হাত ইতিমধ্যেই তার শরীরে। জুলি তার স্তন চুষছে, আর স্যানি নীচে তার যোনি চাটছে। রিতা ঘুমন্ত অবস্থাতেই উত্তেজিত হয়ে উঠল। “আর না, প্লিজ, আমি এখনো ঘুমাচ্ছি,” রিতা মৃদু প্রতিবাদ করল, কিন্তু তার শরীর অস্বীকার করল না। বরং সে তার নিতম্ব নাড়াতে শুরু করল স্যানির জিহ্বার সাথে। জুলি কথা বলল, “আজ আমাদের একটা দ্রুত রাউন্ড দরকার। তারপর শাওয়ার নিয়ে প্রস্তুতি।” স্যানি তার মুখ তুলে বলল, “তুমি কি আমাদের দেবে?” রিতা মাথা নাড়ল। জুলি রিতার পা ফাঁক করে দিয়ে তার নিজের যোনি রিতার মুখের উপর নিয়ে এল। স্যানি রিতার যোনি চেটে যাচ্ছে, আর রিতা জুলির যোনি চাটছে। এই 69 পজিশনে তারা দশ মিনিট লেগে রইল। রিতা আর জুলি একই সময়ে অর্গাজম করল, আর স্যানি শেষ করলো রিতার পেটে এসে। এরপর শাওয়ারে গিয়ে তারা দ্রুত শরীর ধুয়ে ফেলল। এবারের শাওয়ার কম সময়ের, কিন্তু স্যানি জুলিকে দেওয়ালে ঠেলে কোণঠাসা করল আর রিতার সামনেই জুলির পিছনের পথে আঙুল ঢুকিয়ে দিল। জুলি চিৎকার করে উঠল, কিন্তু রিতা আরও উত্তেজিত হয়ে তার স্তনে চুমু দিল। তিন নারী রেডি হয়ে মাঠে নামল। ম্যাচের সময় রিতা ব্যাটিং করতে গিয়ে স্যানি’র বোলিংয়ের সময় চোখাচোখি করল। জুলি ফিল্ডিংয়ে রিতার কাছে এসে তার কানে ফিসফিস করে বলল, “আজ রাতে আবার। নতুন কিছু শেখাবে।” রিতা তার ব্যাট উঁচিয়ে মারল—ছক্কা। সে বুঝতে পারলেন, তার জীবন এখন আগের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই সফর তাকে কেবল ক্রিকেট নয়, নিজের যৌনতার এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। আর সে আরো অনেক কিছু শিখতে প্রস্তুত। দলের কোচ অনেকদিন ধরে রিতাকে বিছানায় ডেকেছে। কোচের সাথে চুদার জন্য রিতা উদগ্রীব।